Bangladesh Information Archaeological Sites and Monuments 21st February International Mother Language Day News News from Bangladesh Paharpur Site ভাষা সৈনিক Buddhist Temples in South Asia Exacavation Monestry Newspaper Archeology in South Asia Education System Foods in Bangladesh Daily life Recent Travel culture Cricket Download Festival Food Customs at Ceremonial Occasions in Bangladesh Online News Sports ARcheology in South Asai Bangladeshi Blog site E-book Election Media New AGe BD Seabeach Sports in Bangladesh finance population 1971 5TH TEACHERS' REGISTRATION EXAMINATION 2009 ACI Airlines All BD Tv BANGLADESH VS ENGLAND BGMEA Bangladesh Share Market Bangladesh Television Blogging CSE Chittagong Comilla Cox'sBazar DSE Demography of Bangladesh Discovery Durga Puja E-News ECONOMY Educational Links in Bangladesh Education Eid Fair Football in Bangladesh Friendly Site Handicrafts Health in bangladesh Hill Tracts Hindus IFIC India India Vs Bangladesh Test Janmasthami Kabaddi Land Tanure Language in Bangladesh Latest News MUTUAL FUND Muharram Museuam Mushfiqur Rahim Muslim Newspaper in Bangladesh Non govt. Teachers Registration information in Bangladesh Phoenix Finance 1st Mutual Fund: Pohela Boisakh Postal Codes Postal Codes in Bangladesh Power Sector Primary School Scholarship Result RESULT PUBLISHED Rangamati SHARE MARKET SWAT Sites Soccer Some Bangladeshi Organizations in the net Statistics Sweets of Bangladesh Tribal UNESCO WATCH LIVE CRICKET Web Site Wiki World Heritage ZERO COUPON BONDS cousine density drama export film geography iDEA Cup identity independence infant care liberation war magazine music in bangladesh paintings in bangladesh picture rabindranath tagore security forces shesher kobita snacks social infrastructure social problem হুমায়ুন আহমেদ
Showing posts with label International Mother Language Day. Show all posts
Showing posts with label International Mother Language Day. Show all posts

Friday, February 20, 2009

একুশের কবিতা : অজস্র একুশ : নীল মানব

১
সকাল হতেই
খোলা প্রান্তরে ধূসর চিল উড়বেই
জানি

কাকেরা দলবদ্ধ হতেই ছোঁ মেরে যাওয়া
স্বপ্নে
হতশ্রী চেহারার বেয়নেটবিদ্ধ শিমুল
স্তব্ধ হয়ে হয়ে যায় ; অধিক দূর

দেবদারুর গা ঘেষে গেছে
অতন্দ্র প্রহরীরা অতপর
থেমে থেমে ছড়ায়েছে
দমকা হাওয়া; হাওয়ায়

তবুও কমলা রংয়ের তীব্রতায় মিশে গেছে
যে কৃষ্ণচূড়া
তার রসায়নে তীব্রতর হতেছে
ঝাঁঝালো স্বাদ এবং

ধীরে ধীরে
একটা মিছিল হয়ত জন্ম নিতে থাকে
এখানে ; অন্যখানে

হয়ত আঁতুরঘরে ; সেখানেই

আমি জন্ম নেই

-আমরাও

২
কথোপকথনে অনবরত ঘরোয়া মুদ্রায়
ঢাকা পড়ে ক, খ, গ, ঘ ও ঙ
রোমন্থন হতে থাকে ; অধিকতর রোমন্থনে
কবিতার একটি বই হতে থাকে অন্য বই

কোথাও জীবন্ত বইমেলা আর
তার পাশ ঘেষে
ক্রমাগত হেঁটে গেছে যে রাজপথ
তার মাঝে দাড়িয়ে
অহর্নিশ বায়ান্ন কিংবা
অজস্র একুশে
জেগে থাকে
শতাব্দীর পর
শতাব্দী জুড়ে

বর্ণমালা - স্বরবর্ণে আর ব্যঞ্জনে

ম্লান সন্ধ্যায় কোথাও হয়ত চুপিসারে তারা আজো
ঘরে ফিরে

সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার -
ওরা সব আবার আসবে বলে.....

একুশের গান

২১ ফেব্রুয়ারি গুলিবর্ষণের ঘটনার পর, একুশ নিয়ে প্রথম গান লেখেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। গানটি হল, আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি। প্রথমে আবদুল লতিফ সুর দেন। পরে করাচী থেকে ঢাকা ফিরে ১৯৫৪ সালে আলতাফ মাহমুদ আবার নতুন সুর দিলেন। সেই থেকে ওটা হয়ে গেল একুশের প্রভাত ফেরীর গান। ১৯৫৪ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত একুশে সংকলনে প্রকাশিত গানটি। তৎকালীন সরকার সংকলনটি বাজেয়াপ্ত করে। জহির রায়হান তার জীবন থেকে নেয়া ছবিতে এই গানটি ব্যবহার করার পর এর জনপ্রিয়তা আরো বাড়ে। ২১শে ফেব্র"য়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাবার পর এই গানটিও আন্তর্জাতিকতা পেতে শুরু করে। ইতিমধ্যে সুইডিশ ও জাপানি ভাষার অনুদিত হয়েছে।

শুরুতে এটি কবিতা হিসেবে লেখা হয়েছিল। তৎকালীন যুবলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক কবিতাটি আব্দুল লতিফকে দিলে তিনি এতে সুরারোপ করেন। পরবর্তীতে, লতিফ আতিকুল ইসলাম প্রথম গানটি গান। ঢাকা কলেজের কিছু ছাত্র কলেজ প্রাঙ্গনে শহীদ মিনার স্থাপনের চেষ্টা করার সময়ও গানটি গেয়েছিল। একারণে তাদেরকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ, যিনি সেসময়কার একজন নামকরা সুরকার এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, গানটিতে পুনরায় সুরারোপ করেন। বর্তমানে এটিই গানটির প্রাতিষ্ঠানিক সুর হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের সব অঞ্চল থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শত শত মানুষ এই গান গেয়ে শহীদ মিনার অভিমুখে খালি পায়ে হেঁটে যান।

ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাত ফেরীতে এই গান গেয়ে সবাই শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যায়। গানটি রচয়িতা আব্দুল গাফফার চৌধুরী এবং প্রথম সুরারোপ করেন আব্দুল লতিফ। কিন্তু পরবর্তীতে সুরকার আলতাফ মাহমুদ গানের সুরে পরিবর্তন আনেন। বর্তমানে আলতাফ মাহমুদের সুর করা গানটিই গাওয়া হয়। বিবিসি শ্রোতা জরিপে বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ গানের তালিকায় এটি তৃতীয় স্থান লাভ করেছে।


একুশের উপর রচয়িত আরো কিছু গানের ডাউনলোড লিংক এখানে - একুশের গান


কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার


শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ। এটি ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

১৯৫৬ সালে আবু হোসেন সরকারের মুখ্যমন্ত্রিত্বের আমলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বর্তমান স্থান নির্বাচন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। তৎকালীন পূর্ত সচিব (মন্ত্রি) জনাব আবদুস সালাম খান মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে 'শহীদ মিনারের' ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য চূড়ান্তভাবে একটি স্থান নির্বাচন করেন।

১৯৫৬ সালের ২১শে ফ্রেব্রুয়ারি তারিখে জনৈক মন্ত্রির হাতে 'শহীদ মিনারের' ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা থাকলেও তাতে উপস্থিত জনতা প্রবল আপত্তি জানায় এবং ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ রিক্সাচালক আওয়ালের ৬ বছরের মেয়ে বসিরণকে দিয়ে এ স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

  1. ↑ "দৈনিক ইত্তেফাক", ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬, শেষের পাতা।
  2. ↑ "বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন, রফিকুল ইসলাম, প্রকাশকালঃ ফেব্রুয়ারি ২০০৬, পাতা ৫১, ISBN 984-494-028-1।"

ভাষা সৈনিকদের তালিকা : সংগৃহীত

ঢাকা
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ॥ ড. কাজী মোতাহার হোসেন ॥ অধ্যাপক আবুল কাসেম ॥ আবুল হাশিম ॥ আবদুল হক ॥ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ॥ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ॥ আবুল কাশেম ফজলুল হক ॥ আনোয়ারা খাতুন ॥ শামসুল হক ॥ শেখ মুজিবুর রহমান ॥ আতাউর রহমান খান ॥ আব্দুর রশীদ খান তর্কবাগীশ ॥ এস এম নুরুল হক ভূইয়া ॥ কাজী গোলাম মাহবুব ॥ অলি আহাদ ॥ মোহাম্মদ তোয়াহা ॥ আবদুল মতিন ॥ গাজীউল হক ॥ অধ্যাপক হালিমা খাতুন ॥ অধ্যাপক সাফিয়া খাতুন ॥ অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ ॥ ডা. গোলাম মাওলা ॥ খালেক নেওয়াজ খান ॥ অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ॥ আবুল মনসুর আহমদ ॥ তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া ॥ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান শেলী ॥ মোঃ শামসুল হক ॥ কামরুদ্দিন আহমেদ শহিদ ॥ মোহাম্মদ সুলতান ॥ এস এ বারি এ টি ॥ মুহম্মদ তকীউল্লাহ ॥ ইমাদুল্লাহ ॥ মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ ॥ আব্দুল মতিন খান চৌধুরী ॥ আব্দুর রহমান চৌধুরী ॥ সৈয়দ নজরুল ইসলাম ॥ তাজউদ্দিন আহমদ ॥ কামরুদ্দীন আহমদ ॥ মনোরঞ্জন ধর ॥ নেয়ামাল বাসির ॥ মীর্জা গোলাম হাফিজ ॥ মহিউদ্দিন আহমদ ॥ হাসান হাফিজুর রহমান ॥ অধ্যাপক অজিত কুমার গুহ ॥ আবদুস সামাদ আজাদ ॥ ডা. বদরুল আলম ॥ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ॥ আবুল কালাম শামসুদ্দিন ॥ মুনীর চৌধুরী ॥ শহীদুল্লাহ কায়সার ॥ জহির রায়হান ॥ আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী ॥ ড. আলাউদ্দিন আল আজাদ ॥ সাইয়িদ আতীকুল্লাহ ॥ বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর ॥ এম আর আখতার মুকুল ॥ আহমদ রফিক ॥ ড. মোজাফ্‌ফর আহমেদ চৌধুরী ॥ আলী আহম্মদ খান ॥ মোজাফ্‌ফর আহমেদ ॥ ইমদাদ হোসেন ॥ মুর্তজা বশীর ॥ আমিনুল ইসলাম ॥ খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস কে জি মোস-ফা ॥ কোরবান আলী ॥ সাদেক খান ॥ আলতাফ মাহমুদ ॥ আবদুল লতিফ ॥ নিজামুল হক ॥ মোমিনুল হক ॥ এস এম নুরুল আলম ॥ আনোয়ারুল হক খান ॥ মোশারফ হোসেন চৌধুরী ॥ বাহাউদ্দিন চৌধুরী ॥ আমিনুল হক ॥ ডা. সাঈদ হায়দার ॥ আমানুজ্জামান থান (বেবী) ॥ মীর ফজলুল হক ॥ মোঃ পিয়ারু সরদার ॥ আব্দুল মমিন ॥ জুলমত আলী খান ॥ কামরুজ্জামান ॥ বদরুদ্দিন ওমর ॥ ফকির শাহাবুদ্দিন ॥ মোহাম্মদ আলী ॥ আনসার আলী ॥ নঈম বিশ্বাস আলী ॥ জিল্লুর রহমান আলী ॥ ডা. ফরিদুল হুদা ॥ ডা. মোহাম্মদ আলী আসগর ॥ শামসুল হক ॥ খন্দকার মোশতাক আহমেদ ॥ মোহাম্মদ মোকাম্মেল হক ॥ অধ্যাপক মুস্তফা নূরুল ইসলাম ॥ অধ্যাপক শাহেদ আলী ॥ গোলাম আজম ॥ মৌলভী ফরিদ আহমদ ॥ অধ্যাপক আব্দুল গফুর ॥ আমেনা বেগম ॥ মোসলেমা খাতুন ॥ সুফিয়া খান ॥ উষা বেপারী ॥ গুলে ফেরদৌস ॥ রওশন জাহান হোসেন ॥ কাজী খালেদা খাতুন ॥ রওশন আহমেদ দোলন ॥ রওশন আরা বাচ্চু ॥
নারায়নগঞ্জ
মুস্তাফা সারোয়ার ॥ মুস্তাফা মনোয়ার ॥ সিরাজুল হক ।
মানিকগঞ্জ
প্রমথ নন্দী ॥ মোঃ রেহাজ উদ্দিন ॥ মোঃ ওয়াজউদ্দিন মাষ্টার ॥ সাহারা খাতুন ॥ খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ॥
মুন্সিগঞ্জ
ডা. এম এ কাদের ॥ মোঃ আব্দুস বাসেত ॥
নরসিংদী
এস এম চান মিয়া ॥ আবুল হাশিম মিয়া ॥ রমিজউদ্দিন ভূইয়া ॥ আব্দুল করিম মিয়া ॥
টাঙ্গাইল
বদিউজ্জামান খান ॥ সৈয়দ নুরুল হুদা ॥ আলী আকবর খান খোকা ॥ আলতাফ হোসেন ॥ রোকেয়া রহমান ॥
ফরিদপুর
ইমাম উদ্দিন আহমেদ ॥ মুনাওয়ার হোসেন ॥ এম এ লতিফ ॥ লিয়াকত হোসেন ॥ মহিউদ্দিন ॥ ননী গোপাল সাহা ॥ শেখ মহিউদ্দিন ॥ এস এম নুরুন্নবী ॥
শরীয়তপুর
মোঃ নুরুল ইসলাম ॥ রবীন্দ্রনাথ ঘটক ॥
চট্টগ্রাম
মাহবুবুল আলম চৌধুরী ॥ আব্দুল্লাহ আল হারুন ॥ চৌধুরী হারুন অর রশিদ ॥ এম এ আজিজ ॥ জহুর আহমদ চৌধুরী ॥ রফিকউদ্দিন আহমদ সিদ্দিকী ॥ আজিজুর রহমান ॥ কৃষ্ণ গোপাল সেন ॥ কলিম শরাফী ॥
ফেনী
খাজা আহমদ ॥ এম এম হুদা ॥ জুলফিকার হায়দার চৌধুরী ॥ লুৎফর রহমান (ভানু) ॥
কুমিল্লা
সালাউদ্দিন
নোয়াখালী
রইস উদ্দিন ॥ কামাল উদ্দিন ॥ তারকবন্ধুনাথ ॥ আহসান উল্লাহ ॥ সহিদ উদ্দিন ইসকান্দার ॥
ব্রাহ্মনবাড়িয়া
মোহাম্মদ মুসা ॥ লুৎফর রহমান ॥ মালেক মিয়া ॥
খুলনা
শেখ রাজ্জাক আলী ॥
যশোর
হামিদা রহমান ॥ আফসার আহমেদ সিদ্দিকী ॥ আলমগীর সিদ্দিকী ॥ মশিউর রহমান ॥ মোঃ একরামুল হক ॥ ঈমান আলী মাষ্টার ॥ এম এইচ জিন্নাহ ॥
ঝিনাইদহ
এম এনামুল হক ॥ জাহিদ হোসেন ॥ মনোয়ারা বেগম ॥ গুলজার হোসেন ॥ আমির হোসেন মালিতা ॥
কুষ্টিয়া
অ্যাডভোকেট মোঃ মহসিন ॥ সৈয়দ আলতাফ হোসেন ॥
চূয়াডাঙ্গা
মোঃ শাহজাহান ॥ আবুল হাসেম ॥ আজিজুল হক ॥ ডা. আসহাবুল হক ॥ আছগর আলী মোল্লা ॥ আবু সালেহ জোয়ার্দার ॥
মাদারীপুর
সরদার আবুল ফজল ॥ মোঃ মতিয়ার রহমান ॥ মিয়া আব্দুল ওহাব ॥
গোপালগঞ্জ
আব্দুস সাত্তার মোল্লা ॥ এস এম ফজলুর রহমান ॥ পরেশ চন্দ্র বিশ্বাস ॥ আবুল হোসেন ভূইয়া ॥
সিলেট
নাসির আহমেদ চৌধুরী ॥ সিরাজ উদ্দিন আহমেদ ॥ দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ॥ দেওয়ান ফরিদ গাজী ॥ হাজেরা মাহমুদ ॥ পীর হাবিবুর রহমান ॥ মাহমুদ আলী ॥ মতিন উদ্দিন আহমদ ॥তসদ্দুক আহমেদ ॥ সাদত খান ॥ সৈয়দ মোতাহীর আলী ॥ মুহম্মদ নূরুল হক ॥ বাহাউদ্দিন আহমদ ॥ মসউদ খান ॥ সাফাত আহমেদ চৌধুরী ॥ আবু সায়ীদ মাহমুদ ॥ আসদ্দর আলী ॥ মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী ॥
হবিগঞ্জ
আফসার আহমেদ ॥ মোস-ফা শহীদ ॥ মোহাম্মদ মাহবুবুল বারী ॥ চৌধুরী আব্দুল হাই ॥ মোঃ ফজলুল হক ॥ সৈয়দ আফরোজ বখত ॥
মাগুরা
আবদুর রশীদ ॥ আবদুস সালাম ॥ আলী আহমেদ ॥ এ কে এম হামিদুজ্জামান ॥ মির্জা শওকত হোসেন ॥ নাসিরুল ইসলাম ॥
ময়মনসিংহ
রফিক উদ্দিন ভূইয়া হোসেন ॥ শামছুল হক ॥ মোস-ফা এম এ মতিন ॥ মহাদেব স্যানাল ॥ হাতেম আলী তালুকদার ॥
শেরপুর
ডা. সাদেকুর রহমান ॥ অমূল্য রতন সিংহ ॥ রবি নিয়োগী ॥ নিজাম উদ্দিন ॥ আহছান উল্লাহ ॥ শামছুল হুদা ॥
জামালপুর
সৈয়দ আব্দুস সাত্তার ॥ সৈয়দ আব্দুস সোবাহান ॥
নেত্রকোনা
ওয়াজেদ আলী ॥ আছিম উদ্দিন আহমেদ ॥ ফজলুর রহমান খান ॥ এ কে এম ফজলুল কাদের ॥ আব্দুল আলী ।
কিশোরগঞ্জ
আবু তাহের খান পাঠান ॥ হেদায়েত হোসেন ॥ আশরাফ উদ্দিন মাষ্টার ॥ মিসিরউদ্দিন আহমদ ॥ জগদীশ পন্ডিত ॥
সৈয়দপুর
মতিউর রহমান ॥
রংপুর
আফতাবুর নাহার ॥ মনিকৃষ্ণ সেন ॥ মোঃ নুরুল ইসলাম ॥ শংকর বসু ॥ নাজাতুল আলম জেবিন ॥ মকসুদ হোসেন ॥ হাবিবুর রহমান চৌধুরী ॥ । দিনাজপুর
হাজী মোহাম্মদ দানেশ ॥
রাজশাহী
এম আতাউর রহমান ॥ অধ্যাপক মোঃ একরামুল হক ॥ আবুল কাশেম চৌধুরী ॥ কাজী আব্দুল মান্নান ॥ ড. এস এম আব্দুল গাফফার ॥ কসিমুদ্দিন আহমেদ ॥ মহসীন প্রামানিক ॥ সাঈদ উদ্দিন আহমেদ ॥ আব্দুস সাত্তার ॥ মমতাজ উদ্দিন আহমদ ॥ বিচারপতি আনসার আলী ॥ মোহসেনা বেগম ॥ মনোয়ারা বেগম ॥ ক্যাপ্টেন শামসুল হক ॥ মাদার বখস ॥ হাফিজা বেগম টুকু ॥ ডা. আজিজুল বারী চৌধুরী ॥ এডভোকেট আবুল কালাম চৌধুরী ॥ । পাবনা
শওকতজান চৌধুরী ॥ কমরেড প্রসাদ রায় ॥ সেলিনা বানু ॥ রণেশ মৈত্র ॥ আমজাদ হোসেন ॥ ফকরুল ইসলাম ।
সিরাজগঞ্জ
সাইফুল ইসলাম ॥ আবুল হোসেন ॥ সাহাবুদ্দিন সরকার ॥ আবুল ফাত্তা নূরে এলাহী ॥ মেহের নিগার নূরে এলাহী ॥ মোতাহার হোসেন তালুকদার ॥ জিতেন্দ্রনাথ নিয়োগী ॥
বগুড়া
মুখলেছুর রহমান ॥ জালাল উদ্দিন আকবর ॥ নুরুল হোসেন মোল্লা ॥ দুর্গাপদ মুখার্জী ॥ মোশারফ হোসেন মন্ডল ॥ গোলাম মহিউদ্দিন ॥ এইচ এম মতিয়ার রহমান ॥ ।
বরিশাল
কাজী বাহাউদ্দিন আহমদ ॥ সামছুল হক চৌধুরী ॥ আবুল হাসেম ॥ এ কে এম আমির উদ্দিন ॥ মিসেস হামিদউদ্দিন ॥ মোশারফ হোসেন মোচন ॥ মিহির লাল দত্ত ॥
পটুয়াখালী
সৈয়দ আশরাফ হোসেন ॥ খন্দকার খালেক ॥
.................................................................................................
তথ্য সূত্রঃ
সি এম তারেক রেজা প্রণীত একুশ ভাষা আন্দোলনের সচিত্র ইতিহাস (১৯৪৭-১৯৫৬)

ভাষা সৈনিক - শহীদ শফিউর রহমান

শফিউর রহমান (জানুয়ারী ২৪, ১৯১৮-ফেব্রুয়ারি ২২ ,১৯৫২) মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালী জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

সংক্ষিপ্ত জীবনী

শফিউর রহমান বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোন্নগরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মাহবুবুর রহমান ছিলেন ঢাকার পোস্ট এন্ড টেলিগ্রাফ অফিসের সুপারিনটেনডেন্ট। কলকাতা গভর্ণমেন্ট কমার্শিয়াল কলেজ হতে আই.কম. পাস করে শফিউর রহমান চব্বিশ পরগনা সিভিল সাপ্লাই অফিসে কেরানীর চাকরি গ্রহণ করেন। ১৯৪৫ সালে কলকাতার তমিজউদ্দিনের কন্যা আকিলা খাতুনের সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। দেশ বিভাগের পর পিতার সঙ্গে ঢাকায় এসে ঢাকা হাইকোর্টে হিসাব রক্ষণ শাখায় কেরানী পদে যোগ দেন।

যেভাবে শহীদ হলেন

১৯৫২‌-র ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল দশটার দিকে ঢাকার রঘুনাথ দাস লেনের বাসা থেকে সাইকেলে চড়ে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সকাল সাড়ে দশটার দিকে নওয়াবপুর রোডে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ গুলি করলে গুলি শফিউর রহমানের পিঠে এসে লাগে। আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। তাঁর শরীরে অস্ত্রোপ্রচার করা হয়। অস্ত্রোপ্রচার সফল না হওয়ায় ঐদিন সন্ধ্যা সাতটায় মৃত্যুবরণ করেন।

ভাষা সৈনিক - শহীদ রফিক উদ্দিন

প্রাথমিক জীবন ও পরিবার

রফিক উদ্দিনের পিতার নাম আবদুল লতিফ ও মাতা রাফিজা খাতুন। রফিকউদ্দিনের পিতা আবদুল লতিফ ছিলেন ব্যাবসায়ী, কলকাতায় ব্যাসা করতেন। রফিকউদ্দিনের শৈশবের পড়ালেখা শুরু কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউটে। এরপরে মানিকগঞ্জের বায়রা স্কুলে। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর রফিকউদ্দিনের পিতা ঢাকায় চলে আসেন। এখানে বাবুবাজারে আকমল খাঁ রোডে পারিল প্রিন্টং প্রেস নামে ছাপাখানা চালু করেন। বায়রা স্কুল থেকে ১৯৪৯ সালে ম্যাট্রিক পাস করে রফিক উদ্দিন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজে বানিজ্য বিভাগে ভর্তি হন। আই.কম. ক্লাস পর্যন্ত পড়লেও পরে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। ঢাকায় এসে পিতার সঙ্গে প্রেস পরিচালনা করতে শুরু করেন। পরে আবার জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হন। ১৯৫২ সালে

বাহান্নর একুশে ফেব্রুয়ারিতে

বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত ছাত্র-জনতার মিছিলে রফিক অংশগ্রহন করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল প্রাঙ্গনে পুলিশ গুলি চালালে সেই গুলি রফিকউদ্দিনের মাথায় লাগে। গুলিতে মাথার খুলি উড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। মেডিকেল হোস্টেলের ১৭ নম্বর রুমের পূর্বদিকে তার লাশ পড়ে ছিল। ছয় সাত জন ধরাধরি করে তার লাশ এনাটমি হলের পেছনের বারান্দায় এনে রাখেন। তাদের মাঝে ডাঃ মশাররফুর রহমান খান রফিকের গুলিতে ছিটকে পড়া মগজ হাতে করে নিয়ে যান।


বসনে এর রং মেখেছি
তাজা বুকের খুনে
বুলেটির ধুম্রজালে
ওড়না বিহার বুনে।

এ ভাষার-ই মান রাখিতে
হয় যদিবা জীবন দিতে
কোটি ভাইয়ের রক্ত দিয়ে
পুরাবে এর মনের আশা।

- জসীম উদ্দীন

ভাষা সৈনিক - শহীদ আবদুল জব্বার

আবদুল জব্বার (জন্মঃ ২৬ আশ্বিন ১৩২৬ বাংলা, ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ, পাঁচাইর গ্রাম, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ জেলা; মৃত্যুঃ ২১শে ফেব্রুয়ারি,১৯৫২, ঢাকা) ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

প্রাথমিক জীবন ও পরিবার

আবদুল জব্বারের পিতার নাম আবদুল কাদের। স্থানীয় পাঠশালায় কিছুকাল অধ্যয়নের পরে দারিদ্রের কারনে লেখাপড়া ত্যাগ করে পিতাকে কৃষিকাজে সাহায্য করেন। পনের বছরে নিজ খেয়ালে সবার অজান্তে গৃহত্যাগ করেন। নারায়ণগঞ্জে এসে সেখানে জাহাজ ঘাটে এক ইংরেজ সাহেবের সান্নিধ্যে আসেন। সাহেব তাঁকে একটি চাকরি দিয়ে বার্মায় পাঠান। সেখানে দশ-বারো বছর অবস্থান করেন। এরপর দেশে ফিরে আসেন এবং আমেনা খাতুন নামে এক যুবতীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আমেনা-জব্বার দম্পতি এক পুত্র সন্তান জন্ম দেন।

তার পুত্রের জন্ম হওয়ার কিছুকাল পরে তার শাশুড়ি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। শাশুড়িকে নিয়ে ১৯৫২ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারী ঢাকায় আসেন। হাসপাতালে রুগী ভর্তি করে আবদুল জব্বার মেডিকেলের ছাত্রদের আবাসস্থল (ছাত্র ব্যারাক) গফরগাঁও নিবাসী হুরমত আলীর রুমে (২০/৮) উঠেন। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনরত ছাত্রদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হলে, কি হয়েছে দেখবার জন্য তিনি রুম থেকে বের হয়ে আসেন। তখনই পুলিশ গুলি শুরু করে এবং জব্বার আহত হন। ছাত্ররা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা জব্বারকে মৃত ঘোষণা করেন। তাকে যারা হাসপাতালে নিয়ে যান, তাদের মধ্যে ছিলেন ২০/৯ নম্বর কক্ষের সিরাজুল হক।


এ-কোন মৃত্যু ? কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন,

শিয়রে যাহার ওঠে না কান্না, ঝরে না অশ্রু ?

হিমালয় থেকে সাগর অবধি সহসা বরং

সকল বেদনা হয়ে ওঠে এক পতাকার রং


এ-কোন মৃত্যু ? কেউ কি দেখেছে মৃত্যু এমন,

বিরহে যেখানে নেই হাহাকার ? ...................


- আলাউদ্দিন আল আজাদ

ভাষা সৈনিক - শহীদ আবুল বরকত

আবুল বরকত (জন্মঃ জুন ১৩, ১৯২৭ বাবলা গ্রাম, ভরতপুর, মুর্শিদাবাদ; মৃত্যুঃ ২১শে ফেব্রুয়ারি,১৯৫২) মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

আবুল বরকতের পিতার নাম মরহুম শামসুদ্দিন। তার জন্ম অবিভক্ত ভারতবর্ষের মুর্শিদাবাদ (বর্তমানে ভারতের একটি জেলা) জেলার অরতপুর থানার বাবলা গ্রামে। শহীদ বরকত সেখানকার় তালিবপুর হাইস্কুল থেকে ১৯৪৫-এ মেট্রিক এবং বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকে ১৯৪৭-এ আই.এ পাস করেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৮-এ মুর্শিদাবাদ ত্যাগ করে ঢাকায় চলে আসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৫১-তে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেনীতে চতুর্থ হয়ে বি.এ. অনার্স পাস করেন। অতঃপর স্নাতোকোত্তর শ্রেনীতে ভর্তি হন। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ গুলি চালালে হোস্টেলের ১২ নম্বর শেডের বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হোন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি অবস্থায় রাত আটটার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। ভাষা আন্দোলনে আত্মত্যাগের জন্য ২০০০ সালে বাংলাদেশ সরকার শহীদ বরকতকে একুশে পদক প্রদান করে।

ফেব্রুয়ারীর ২১ তারিখ
দুপুর বেলার অক্ত
বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায়
বরকতেরই রক্ত।

হাজার যুগের সূর্যতাপে
জলবে, এমন লাল যে
সেই লোহিতেই লাল হয়েছে
কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে,

-কবি আল মাহমুদ

ভাষা সৈনিক - শহীদ আবদুস সালাম

knx` Avãym mvjvg

‡dbx †Rjvi j¶Ycyi MÖv‡gi Avãym mvjvg wQ‡jb mwPevj‡qi wcqb| NUbvi w`b XvKv †gwW‡Kj K‡j‡Ri mvg‡b we¶zä RbZv 144 aviv †f‡½ ivRc‡_ wgwQj Ki‡j cywjk wbwe©Pv‡i ¸wjel©Y K‡i, G‡Z mvjvg ¸wjwe× nb| Zuv‡K †gwW‡K‡j fwZ© Kiv‡bv nq| 7 GwcÖj 1952,knx` mvjvg †gwW‡K‡jB †kl wbtk¦vm Z¨vM K‡ib| GLb ch©š— Zuvi Ke‡ii mÜvb cvIqv hvqwb|



gv‡Mv, Iiv e‡j

mevi K_v †K‡o †b‡e|

‡Zvgvi †Kv‡j ï‡q

Mí ïb‡Z †`‡e bv|

e‡jv, gv,

ZvB wK nq?

ZvB†Zv Avgvi †`ix n‡”Q|

‡Zvgvi Rb¨

K_vi Szwo wb‡q

Z‡eB bv evwo wdi‡ev|

gv‡Mv Iiv e‡j

Avey Rvdi Ievq`yj­vn


আবদুস সালাম (জন্মঃ ১৯২৫ লক্ষণপুর গ্রাম, ফেনী; মৃত্যুঃ এপ্রিল ৭,১৯৫২) মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

আবদুস সালামের পিতার নাম মোহাম্মদ ফাজিল মিয়া। আবদুস সালাম কর্মজীবনে সরকারের ডিরেক্টরেট অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের পিয়ন ছিলেন। বাস করতেন নীলক্ষেত ব্যারাকে। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ গুলি চালালে সালাম গুলিবিদ্ধ হন। আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। দেড় মাস চিকিৎসাধীন থার পর ৭ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।